চণ্ডীগড়, ২৯ আগস্ট : টানা বৃষ্টির জেরে পাঞ্জাবের সাত জেলা ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে। নতুন করে তিন জেলায় লাল সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। শুক্রবার চণ্ডীগড়ে জরুরি বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্য সরকার সমস্ত কর্মীদের ছুটি বাতিল করেছে। জেলার কন্ট্রোল রুমে বাড়ানো হয়েছে জনবল। শুক্রবার সকালে সুখনা লেকের ফ্লাড গেট খোলায় ঘগ্গর নদীতে জলস্তর বাড়ছে। ভাকড়া ড্যামের চারটি গেট দিয়ে ছাড়া হচ্ছে সুতলজে জল। সীমান্তবর্তী জেলায় সেনা নামানো হয়েছে। হেলিকপ্টারে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করা হচ্ছে, ড্রোনে পাঠানো হচ্ছে খাদ্যসামগ্রী।
এদিন আবহাওয়া দফতর মোহালি, নবাংশহর ও হোশিয়ারপুরে লাল সতর্কতা এবং পাঠানকোটে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে। বিগত তিন দিন ধরে সাত জেলা প্লাবিত। ২৫০টির বেশি গ্রামে ৫ থেকে ১৫ ফুট পর্যন্ত জল ঢুকে পড়েছে। গুরুদাসপুর ও অমৃতসরে নৌকা ও ট্র্যাক্টর ব্যর্থ হলে মানুষ কাঁধে করে নিয়ে গিয়েছেন ত্রাণসামগ্রী। সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মোহালির ডেরাবসসি সাব-ডিভিশনের ৯ গ্রামে। ঘগ্গর নদীর জলস্তর ৭০ হাজার কিউসেক ছাড়িয়ে যাওয়ায় গ্রামবাসীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাতে বৃষ্টিতে মোহালির বেশ কিছু ওয়ার্ডে জল ঢুকে গিয়েছে বাড়িঘরে। এমনকি জিরকপুর-বালটানা সেতুর উপর দিয়ে জল বইতে শুরু করায় সকাল থেকে সেতুতে যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।